২০ দিন আগে
পুরো বাংলাদেশ যেখানে একই নিয়মে চলে, সেখানে উনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলছেন, উনার নিয়ম নাকি সবার থেকে আলাদা—আমাকে নাকি জোর করে পার্সেলটি নিতেই হবে। আমি খুব সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলেছি, “সমস্যা নেই ভাইয়া,আমি আপনার ডেলিভারি চার্জটা দিয়ে দিব ।” কিন্তু উনি ফোনে আমাকে যা-তা বলেছেন, এমনকি ডেলিভারি ম্যানকেও অনেক কথা শুনিয়েছেন। বাকি কথাগুলো তো চ্যাটেই দেখতে পারবেন। এখন আপনারাই বলেন, এখানে আমার দোষটা কোথায়? আমি ৫–৬ দিন আগে অর্ডার করেছি। আমাকে আজ আসবে, কাল আসবে বলে ৫–৬ দিন ঘুরিয়েছেন। সেটাও আমি মেনে নিলাম। কিন্তু আমরা কি কোনো নিয়ম-কানুন ফলো করি না? আমি যদি প্রোডাক্টটি নিতে না চাই, তাহলে আমি কি রিটার্নের টাকা দিয়ে বেক করে দেব না? আমি তো তাই করতে চেয়েছি তাহলে উনি আমাকে কী কী বলেছেন, সেটাও চ্যাটে দেখুন। ফ্রড কি আমরা, নাকি ওই পেজ? জোর করে একজন কাস্টমারকে পার্সেল নিতে বাধ্য করা, ভয় দেখানো—এগুলো কেমন আচরণ? এরপর ডেলিভারি ম্যানের সাথেও চিৎকার-চেঁচামেচি করেছেন। ডেলিভারি ম্যান আমাকে বলেছেন, এই পেজের মালিক নাকি আরেকজন কাস্টমারের কাছ থেকেও ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক প্রায় ৬,০০০ টাকার প্রোডাক্ট দিয়েদিয়েছিলেন,কাস্টমার নাকি শিধা সাধা ছিলেন আমি প্রায়ই একসাথে অনেকগুলো পার্সেল নিই। আজকেও ওই একই ডেলিভারি ম্যান আমার ৩টা পার্সেল নিয়ে এসেছিলেন। এখন আপনারাই বলেন—এখানে অন্যায়টা আসলে কার? আমি তো ১৫০ টাকা দিয়ে বেক করতে চেয়েছি তাও আগের থেকে পেইজে জানিয়ে রেখেছি তাও ইচ্ছা করে পার্সেল পাঠাই এই পেইজ থেকে কেও অর্ডার করার আগেহ ভাববেন ১০ বার পুরো বাংলাদেশ যেখানে একই নিয়মে চলে, সেখানে উনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলছেন, উনার নিয়ম নাকি সবার থেকে আলাদা—আমাকে নাকি জোর করে পার্সেলটি নিতেই হবে।












